কক্সবাজারের টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাবিরছড়া এলাকায় নৈশ প্রহরী হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি মোঃ রিদুয়ানকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৫ ও জেলা পুলিশের যৌথ দল। হত্যাকাণ্ডের মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাব-১৫ (সিপিসি-১) ও জেলা পুলিশের যৌথ আভিযানিক দল ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাবিরছড়া এলাকা থেকে রিদুয়ানকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত রিদুয়ান টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নতুন পল্লানপাড়ার মৃত কবির আহমদ প্রকাশ কবির মাঝির ছেলে।
মামলার প্রাথমিক অনুসন্ধান ও এজাহারে উল্লেখ করা তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। এর ধারাবাহিকতায় ৯ সেপ্টেম্বর রাতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন পল্লানপাড়া এলাকায় চাঁদা দাবির প্রতিবাদ করায় সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়।
এ সময় প্রতিবাদকারীদের রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে নাজির হোসেন নামে এক ব্যক্তির ওপর ধারালো অস্ত্র, কিরিচ ও লোহার রড নিয়ে হামলা করা হয়। মামলার এজাহারনামীয় ৫ নম্বর আসামি রিদুয়ান হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে নাজির হোসেনের পিঠের শিরদাঁড়ায় আঘাত করে গুরুতর আহত করে বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে অন্য আসামিরাও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে মারধর করে। একপর্যায়ে বুকে ও গলায় পা দিয়ে চাপ প্রয়োগ করে নাজির হোসেনের মৃত্যু নিশ্চিত করার পর হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের পর র্যাব-১৫-এর টেকনাফ ক্যাম্প ও জেলা পুলিশ গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে যৌথ অভিযান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই হাবিরছড়া এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি রিদুয়ানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে মামলায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার রিদুয়ানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা