🏠︎ » বাংলাদেশ » অপরাধ » র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ধামরাইয়ের শংকর চন্দ্র মণ্ডল হত্যা মামলার প্রধান আসামি কক্সবাজারে গ্রেপ্তার

র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ধামরাইয়ের শংকর চন্দ্র মণ্ডল হত্যা মামলার প্রধান আসামি কক্সবাজারে গ্রেপ্তার

ঢাকা জেলার ধামরাই থানাধীন পশ্চিম কায়েতপাড়া এলাকায় চাঞ্চল্যকর শংকর চন্দ্র মন্ডল (২৮) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ০১নং আসামি ওয়াজেদ হাজী (৫০)-কে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৫ ও র‌্যাব-০৪। গত ২৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখ রাতে কক্সবাজার সদর থানাধীন কলাতলী ডলফিন মোড় সংলগ্ন ময়না হোটেল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গত ০৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখ সকালে ঢাকা জেলার ধামরাই থানাধীন পশ্চিম কায়েতপাড়া এলাকায় সীমা সিনেমা হলের রাস্তার পাশে জনৈক ওবায়েদিল হাজী মালিকানাধীন রাইস মিল এলাকায় শংকর চন্দ্র মন্ডল (২৮)-কে রাইস মিলের অফিসে নিয়ে হাত-পা বেঁধে রড ও কাঠের লাঠি দিয়ে এলোপাথাড়ি মারপিট করে গুরুতর জখম করা হয়। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হলে পরিবারের লোকজন ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার করেন। পরিবারের অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে তাকে ঢাকায় নেওয়া সম্ভব হয়নি এবং গত ১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখ ভোরে নিজ বাড়িতেই তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহত শংকর চন্দ্র মন্ডলের বাবা বাদী হয়ে ঢাকা জেলার ধামরাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আসামিরা গ্রেফতার এড়াতে দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়ায়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামি মোঃ ওয়াজেদ হাজী (৫০), পিতা: মৃত ডাউরি ব্যাপারী, গ্রাম: শরীফবাগ, থানা: ধামরাই, জেলা: ঢাকা এর বাসিন্দা।

চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পর আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন(র‌্যাব)। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১৫ (ব্যাটালিয়ন সদর) এবং র‌্যাব-০৪ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল যৌথ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ তারিখ রাত আনুমানিক ২০:৫৫ ঘটিকায় কক্সবাজার সদর থানাধীন কলাতলী ডলফিন মোড় সংলগ্ন ময়না হোটেল থেকে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় মামলার প্রধান আসামি ওয়াজেদ হাজীকে গ্রেপ্তার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হত্যাকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ততার বিষয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ