আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় অর্থের যোগানদাতা, চাঁদাবাজি ও ব্যবসায়ীদের হয়রানির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আলোচিত নুরুল হুদা(গুরা মিয়া)কর্তৃক আমার বিরুদ্ধে আয়োজিত কথিত সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য প্রদানের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সকল আইনশৃঙ্খলা বাহীনি,রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সকলকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।
একটি স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধন ও ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আমার সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে আমি মনে করি।
আমি স্পষ্টভাবে বলতে,আমার বিরুদ্ধে সংবাদ
সম্মেলনে যে সকল অভিযোগ করা হয়েছে, তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো অভিযোগের সত্যতা থাকলে যথাযথ প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আদালতের মাধ্যমে তা উপস্থাপন করার আহ্বান জানাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মিথ্যা ও মনগড়া বক্তব্য ছড়িয়ে একজন ব্যবসায়ী বা নাগরিকের সম্মানহানি করার অধিকার কারও নেই।
গুরা মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে শত শত ব্যবসায়ীকে বিভিন্নভাবে হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, চাঁদা দাবি এবং রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হয়রানি করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে।একইভাবে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ আমলে দলীয় নেতাকর্মীদের হয়রানি ও চাপ প্রয়োগের অভিযোগও স্থানীয়ভাবে রয়েছে গুরা মিয়ার বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে।তারপরও এই গুরা মিয়া প্রসাশনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এই শহরে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
আমি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি,আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার এবং সম্মানহানির ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক। একই সঙ্গে গুরা মিয়ার বিরুদ্ধে উত্থাপিত চাঁদাবাজি, ব্যবসায়ী হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ অন্যান্য অভিযোগেরও সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ তাকে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।
আমি কোনো মিথ্যা অপপ্রচারে ভীত নই। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে আমার অবস্থান স্পষ্ট। কারও ব্যক্তিগত স্বার্থ বা কোনো ষড়যন্ত্রমূলক চক্রের ইন্ধনে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করার অপচেষ্টা চালানো হলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি আইনগতভাবেও তার যথাযথ জবাব দেওয়া হবে।