যশোরের শার্শা উপজেলার একটি দাখিল মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক (সুপার) এর বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে কু-প্রস্তাব দেওয়া, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত জুন মাসের ২৯ তারিখে ১০ম শ্রেণীর এ ছাত্রীকে মাদ্রাসা থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা শার্শা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলার সামটা সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে একই প্রতিষ্ঠানের সুপার জামায়াত কর্মী মমিনুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রী ভয়ে দীর্ঘদিন পরিবারের কাছে কিছু বলতে পারেনি। পরে অভিযুক্তের আচরণ অসহনীয় হয়ে উঠলে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানান। অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্তের প্রস্তাবে রাজি না হলে পরীায় অংশ নিতে না দেওয়া, বিভিন্নভাবে তি করার হুমকি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। এমনকি গত ১৮ জুন রাতে অভিযুক্ত অভিযোগকারীর বাড়িতে গিয়ে ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। এতে পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে তিনি জোরপূর্বক ঘরে প্রবেশের চেষ্টা করেন এবং ছাত্রীর হাত চেপে ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ২৯ জুন অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার অভিযোগকারীর হাতে একটি কাগজ ধরিয়ে দিয়ে তার মেয়েকে প্রতিষ্ঠান থেকে টিসি (স্থানান্তর সনদ) দিয়ে নাম কেটে দেওয়া হয়েছে বলে জানান। এরপর থেকে ভুক্তভোগী ছাত্রী ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামিনুল হক জানান, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আহম্মদ আলী শাহিন, স্যটাফ রিপোর্টার, যশোর