মেহেদী হাসান মিরাজের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) বড় জয় পেয়েছে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে ট্রিনবাগো নাইট রাইডার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে দলটি।
চলতি আসরে ৯ ম্যাচ খেলে এটি আমাজন ওয়ারিয়র্সের অষ্টম জয়। একই সঙ্গে সিপিএলের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে ১০০ জয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে তারা। এই জয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থানও আরও শক্ত করেছে আমাজন ওয়ারিয়র্স।
টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আমাজন ওয়ারিয়র্স। ম্যাচের পঞ্চম ওভারে বল হাতে জোড়া সাফল্য এনে দেন মিরাজ। পরপর দুই বলে কোলিন মানরো ও নিকোলাস পুরানকে ফিরিয়ে দেন তিনি। চার ওভারের স্পেলে মাত্র ২৩ রান খরচ করে ৪ উইকেট শিকার করেন এই অলরাউন্ডার।
মোহাম্মদ নবীর পরিবর্তে দলে সুযোগ পাওয়া মিরাজের এটি ছিল সিপিএলে দ্বিতীয় ম্যাচ। মাত্র দুই ম্যাচেই ৩৬ রান দিয়ে ৭ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন তিনি।
পাওয়ারপ্লেতে ২ উইকেট হারিয়ে ৪৩ রান করা নাইট রাইডার্স এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১২৬ রানেই তাদের ইনিংস থেমে যায়। দলের হয়ে জাস্টিন গ্রিভস ৩৭ বলে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন। কোলিন মানরো করেন ১৬ বলে ২৬ রান।
জয়ের জন্য ১২৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে আমাজন ওয়ারিয়র্সও শুরুতে খুব দ্রুত রান তুলতে পারেনি। সাত ওভারের মধ্যেই মাভেন্দ্র দিনদয়াল ও গ্লেন ফিলিপসের উইকেট হারালেও একপ্রান্ত ধরে রাখেন শাই হোপ।
তৃতীয় উইকেটে শিমরন হেটমায়ারের সঙ্গে ৫১ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান হোপ। ১৯ বলে তিনটি ছক্কায় ২৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন হেটমায়ার।
এরপর হেটমায়ার ও ২ রান করা মিরাজ আউট হলেও কুয়েন্টিন সেম্পসনকে সঙ্গে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন শাই হোপ। শেষ পর্যন্ত ৮ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স।
এই পরাজয়ের ফলে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ট্রিনবাগো নাইট রাইডার্স চলতি টুর্নামেন্টে সপ্তম হারের মুখ দেখেছে। পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থেকেই তাদের এবারের আসর শেষ করতে হয়েছে।
এদিকে ব্যাট হাতে ১০ রান করে শেষ ওভারে আউট হওয়ার আগে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ১৪ হাজার ৯৯৯ রানে পৌঁছেছেন নাইট রাইডার্সের কাইরন পোলার্ড। ছেলেদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ১৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করতে তাঁর প্রয়োজন আর মাত্র ১ রান।