বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা সবাই খুটাখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
নিহত ৪ যাত্রীর মধ্যে জসিম উদ্দিন (২৭) ও মোহাম্মদ শাহেদ (৩০) নামের দু’জনের পরিচয় পাওয়া গেলেও তাৎক্ষণিক অন্যদের নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি। নিহত দুই সন্তানের জনক জসিম খুটাখালী ইউনিয়নে ৬নং ওয়ার্ড সেগুনবাগিচা এলাকার মৃত মতিউর রহমানের পুত্র। তিনি এদিন বাবুর্চি কাজ করতে ঈদগাঁও শাহ ফকির বাজারে যাচ্ছিলেন। নিহত মোহাম্মদ শাহেদ একই ইউনিয়নের শিয়াপাড়া বাঁশকাটা এলাকার মৃত মঞ্জুর আলমের পুত্র। দুই বোনকে বিয়ে দিতে একমাত্র ভাই শাহেদ সৌদি প্রবাস থেকে দেশে এসে এ দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হাইওয়ে পুলিশ সুত্রে জানা যায়, যাত্রীবাহী হিউম্যান হলার একটি জিটু গাড়ি খুটাখালী বাজার থেকে ঈদগাঁও’র উদ্দেশ্য রওয়ানা হয়। এটি খুটাখালী ইউনিয়নের নতুনপাড়ার পূর্ব গেইট পর্যন্ত পৌঁছলে পেছন দিক থেকে আসা কক্সবাজার অভিমূখী লাল-সবুজ পরিবহনের একটি বাস সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে দুমড়েমুচড়ে যায় হিউম্যান হলার জিটু গাড়ি এবং লাল-সবুজ পরিবহনের বাসটি পালিয়ে যায়।

এসময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিস্টান হাসপাতাল ও বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চার জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। গুরুতর আহত আরো কয়েকজন যাত্রীকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হাইওয়ে পুলিশ দুর্ঘটনা কবলিত জিটু গাড়িটি উদ্ধারের পাশাপাশি লাল-সবুজ পরিবহনের বাসটিও জব্দ করেছে বলে জানা গেছে।
মালুমঘাট হাইওয়ে থানার ওসি তদন্ত মোহাম্মদ শামসুদ্দিন খুটাখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ যাত্রীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঢাকা থেকে আসা যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় হিউম্যান হলার জিটুর চার জন মারা গেছেন। আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হচ্ছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে