দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তুলে ধরতে নির্মিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে জাদুঘরটির উদ্বোধন করেন।
দর্শনার্থীদের অতিরিক্ত ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং পরিদর্শন আরও সুশৃঙ্খল করতে সময়ভিত্তিক প্রবেশের ব্যবস্থা চালু করেছে কর্তৃপক্ষ। এজন্য আগ্রহীদের আগে থেকেই অনলাইনে টিকিট বুকিং করতে হবে। ‘জুলাই ৩৬’ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পছন্দের সময় নির্বাচন করে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
জাদুঘরে প্রবেশের জন্য প্রাপ্তবয়স্কদের টিকিট মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে নির্মিত এ জাদুঘরে স্থান পেয়েছে শহীদদের আত্মত্যাগ, গুম ও নির্যাতনের দলিল, আলোকচিত্র, ভাস্কর্য এবং বিভিন্ন প্রতীকী স্থাপনা। পাশাপাশি বিভিন্ন গ্যালারিতে গত দেড় দশকের আলোচিত ঘটনাপ্রবাহ, ঐতিহাসিক নথি এবং আন্দোলনের নানা অনুষঙ্গ উপস্থাপন করা হয়েছে।
এ ছাড়া জাদুঘরের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে নির্মিত প্রতীকী শহীদ কবর এবং আন্দোলনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তভিত্তিক ভাস্কর্য দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে।
বিশেষভাবে শহীদ মুগ্ধের পানি বিতরণের দৃশ্য, এক রিকশাচালকের সালাম জানানোর প্রতীকী উপস্থাপনা এবং শহীদ আহনাফের মায়ের উদ্দেশে লেখা চিঠির প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের আবেগাপ্লুত করবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।