🏠︎ » জাতীয় » জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: মীর শাহে আলম

জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: মীর শাহে আলম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের ৪ কোটি পরিবারকে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে এবং কার্ড পেতে কাউকে ঘুষ দিতে হবে না।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানের সরকার জনগণের সরকার। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড অন্যতম। এই কার্ড ধাপে ধাপে সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও এর আওতায় থাকবেন বলে জানান তিনি।

সরকারের মেয়াদ এখনও অল্প সময় হয়েছে উল্লেখ করে মীর শাহে আলম বলেন, বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন আনতে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাঁচ বছর পর জনগণের কাছে গিয়ে সরকারের কর্মকাণ্ডের হিসাব দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আকস্মিক ভারী বর্ষণ ও বন্যায় বাঁশখালী, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার মানুষ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। সরকারি সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি হয়ে থাকলে জনগণের কাছে ক্ষমা চান তিনি।

বন্যার সময় ত্রাণের সংকট দেখা দিলে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানান মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশেই তিনি বাঁশখালীতে এসেছেন এবং বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাঁশখালীর উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, আনোয়ারা-বাঁশখালী-চকরিয়া সড়কটি ৩৪ ফুট প্রশস্ত করার টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটির কাজ আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। উপজেলার অন্য যেসব সড়ক সংস্কার বা নির্মাণ প্রয়োজন, সেগুলোর তালিকা দিলে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিএনপির নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, দীর্ঘ সময় পর দলটি ক্ষমতায় এসেছে। দলের দুর্দিনের নেতাকর্মীদের পর্যায়ক্রমে মূল্যায়ন করা হবে। আইন ও বিধি মেনে চাকরি, বৈধ ডিলারশিপ ও কাজের সুযোগ দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Noxoit Ads

আরও পড়ুন

সর্বশেষ