🏠︎ » জাতীয় » ট্রাম্পের নৈশভোজে সস্ত্রীক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ট্রাম্পের নৈশভোজে সস্ত্রীক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্কে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাতে জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশ নেওয়া রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাদের সহধর্মিণীদের সম্মানে এ আয়োজন করা হয়।

এর আগে একই দিন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দেওয়া স্বাগত নৈশভোজে নয়, স্বাগত প্রাতরাশেও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার স্ত্রী অংশ নেন। পরে তিনি সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী পর্বে যোগ দেন। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ বিতর্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার প্রথম ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। তার আসন্ন ভাষণে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের প্রত্যাশার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

সফর ঘিরে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বিনিয়োগ, রাজনৈতিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়েও আলোচনা চলছে। তুরস্ক বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিয়োগ, রাজনৈতিক সম্পর্ক ও সামরিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।

এদিকে রোহিঙ্গা সংকটও প্রধানমন্ত্রীর সফরের আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান জানান, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক সহায়তা বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের বিভিন্ন বৈঠক ও সাইডলাইন আলোচনায় বিষয়টি তুলে ধরা হচ্ছে।

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটার বাংলাদেশে কার্যালয় খোলার আগ্রহের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। শিক্ষা, ব্যবসা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়াতে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এবারের নিউইয়র্ক সফরে জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তা ছাড়াও বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক হচ্ছে। এসব আলোচনায় অর্থনীতি, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, রোহিঙ্গা সংকট ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মতো বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ