ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলার সুপরিচিত মুখ আর এইচ রুমেল পেশাগত জীবনে একজন সফল ব্যবসায়ী। ব্যবসার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করেছেন। কর্মব্যস্ত জীবনের মধ্যেও মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে পাশে দাঁড়ানোই যেন তার অন্যতম অঙ্গীকার।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও তিনি একজন পরিচিত ও সক্রিয় ব্যক্তিত্ব। ধানের শীষের একজন নিবেদিতপ্রাণ কান্ডারী হিসেবে তিনি দলের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে একজন মানবিক ও জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবেও তিনি এলাকাবাসীর কাছে সমাদৃত।
আর এইচ রুমেলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা। বিভিন্ন সময় তিনি অসচ্ছল পরিবারের চিকিৎসা ব্যয়ে সহায়তা, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান, শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। নীরবে-নিভৃতে মানুষের জন্য কাজ করাই তার কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
পবিত্র রমজান মাসে ইফতার ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, ঈদ উপলক্ষে অসহায় পরিবারের মাঝে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি সামাজিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তার এসব উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করেছে।
এছাড়াও এলাকার যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে তিনি বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন এবং তরুণদের খেলাধুলা, শিক্ষা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করে থাকেন। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি সুন্দর সমাজ গঠনে তরুণদের ইতিবাচক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
স্থানীয় উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আর এইচ রুমেল নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। মানুষের কল্যাণে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখার এই প্রচেষ্টা তাকে ফুলপুর উপজেলার একজন জনপ্রিয় সমাজসেবক ও জনবান্ধব ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
স্থানীয়দের মতে, আর এইচ রুমেল শুধু একজন ব্যবসায়ী বা রাজনৈতিক কর্মী নন, তিনি একজন মানবিক মানুষ, যিনি সবসময় মানুষের বিপদ-আপদে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। তার আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ ও সমাজের প্রতি অঙ্গীকার ভবিষ্যতেও এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদী। সমাজ ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিত এই পথচলা অব্যাহত থাকুক-এমন প্রত্যাশাই ফুলপুরবাসীর।