বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর মঞ্চে বড় চমকের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল ডি আর কঙ্গো। ম্যাচের সপ্তম মিনিটে গোল করে এগিয়ে যাওয়ার পর ৭৪ মিনিট পর্যন্ত সেই লিড ধরে রেখেছিল আফ্রিকার দলটি। তবে শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা, ধৈর্য ও তারকা ফুটবলার হ্যারি কেইনের নৈপুণ্যে নাটকীয় প্রত্যাবর্তন করে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে ইংল্যান্ড।
ম্যাচের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে থাকে ডি আর কঙ্গো। ৭ম মিনিটে ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে এগিয়ে যায় তারা। এরপর শক্ত রক্ষণ, দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক এবং গোলরক্ষকের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ইংল্যান্ডকে দীর্ঘ সময় গোলশূন্য রাখে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি থ্রি লায়ন্স।

দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় ইংল্যান্ড। একের পর এক আক্রমণে কঙ্গোর রক্ষণ ব্যস্ত থাকলেও ৭৪ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে ছিল দলটি। তবে ৭৫তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে সমতা ফেরান অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

সমতাসূচক গোলের পর ম্যাচের গতি পুরোপুরি বদলে যায়। আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় ইংল্যান্ড, আর চাপে পড়ে যায় ডি আর কঙ্গো। নির্ধারিত সময়ের ৮৬তম মিনিটে আবারও জ্বলে ওঠেন কেইন। বক্সের ভেতরে দারুণ ফিনিশিংয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। শেষ বাঁশি পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে এই ব্যবধানেই জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।

এই জয়ের মাধ্যমে ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। পরবর্তী রাউন্ডে তাদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক মেক্সিকো।