🏠︎ » সর্বশেষ » সাজেকে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ, আটকা পড়েছেন ৩ হাজার পর্যটক

সাজেকে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ, আটকা পড়েছেন ৩ হাজার পর্যটক

রাঙামাটি প্রতিনিধি :

রাঙামাটির সাজেকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুটি সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধে আটকা পড়েছেন প্রায় তিন হাজার পর্যটক। সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন নামে সংগঠন দুটি এ নিয়ে তৃতীয় দফায় অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে দীঘিনালা-সাজেক সড়কের মাছালং ও উজোবাজারসহ কয়েকটি এলাকায় অবরোধের সমর্থনে টায়ার জ্বালান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা। এতে সাজেক থেকে বের হওয়ার অপেক্ষায় থাকা পর্যটকেরা উজোবাজার এলাকায় আটকা পড়েন।

পর্যটকদের নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছে দিতে অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা করছেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অবরোধকারীরা উজোবাজার এলাকায় অবস্থান করছিলেন। সেখানে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

তিন দফা দাবিতে অবরোধের ডাক দিয়েছে সংগঠন দুটি। অবরোধকারীদের অভিযোগ, সাজেকের মাছালং এলাকার বিভিন্ন স্থানে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সন্তু লারমা-সমর্থিত সশস্ত্র সদস্যরা অবস্থান নিয়ে সাধারণ মানুষকে হুমকি দিচ্ছেন এবং হত্যাসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চলবে বলে জানিয়েছেন তারা।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, এসব ইউপিডিএফের ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সাজেকে ইউপিডিএফের সদস্যরা সন্ত্রাসী তৎপরতা চালানো ও জনগণের ওপর শোষণমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। পার্বত্য সমস্যার সমাধান, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় জনসংহতি সমিতি কাজ করছে। সাজেকসহ সমগ্র পার্বত্য চট্টগ্রামে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার অধিকার রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বাঘাইছড়ি সার্কেল) মোজাম্মেল হক জানান, পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করছে।

Noxoit Ads

আরও পড়ুন

সর্বশেষ