🏠︎ » রাজনীতি » বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে আনা হলো সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রোটনের মরদেহ

বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে আনা হলো সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রোটনের মরদেহ

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ ভারতের কলকাতা থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর হয়ে দেশে আনা হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টে কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়।

মরদেহ দেশে আনার পুরো প্রক্রিয়ায় বেনাপোল সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পরিস্থিতি তদারকি করেন বিজিবির ৪৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, নাভারণ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. আরিফ হোসেন, বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি সাইফুর রহমান এবং বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন। এ সময় ডিবি পুলিশ ও বিজিবির বিশেষ দলও দায়িত্ব পালন করে।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি সাইফুর রহমান জানান, ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মৃত্যু হয়। পরে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে তার মরদেহ দেশে আনা হলে প্রয়োজনীয় ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তিনি আরও জানান, বেনাপোল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বন্দরসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সে রোটনের স্ত্রী আরেফা সুলতানা ও নিকটাত্মীয় সোহানুর রহমান দেশে ফেরেন। ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ করে অ্যাম্বুলেন্সটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে। পরে বেনাপোল চেকপোস্টে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে পরিবারের সদস্যদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। এ সময় মরদেহ গ্রহণের জন্য স্বজনেরা আরেকটি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন।

দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের ক্যানসারে ভুগছিলেন মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৯ অক্টোবর তার মৃত্যু হয়। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ওই কমিটির সভাপতি ছিলেন মাহমুদ হাসান রিপন। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে দায়িত্ব পালনের পর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন তিনি।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর পর জানাজা শেষে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামের বক্স আলী চৌধুরী বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

Noxoit Ads

আরও পড়ুন

সর্বশেষ