🏠︎ » বিনোদন » প্রেমের টানে রূপগঞ্জে চীনা যুবক, বিয়েতে সম্মতি পরিবারের

প্রেমের টানে রূপগঞ্জে চীনা যুবক, বিয়েতে সম্মতি পরিবারের

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের মাত্র এক মাসের মধ্যেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন চীনের ২৯ বছর বয়সী যুবক হুয়াং ঝিলিন ও নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের তরুণী সুমাইয়া বেগম। সেই সম্পর্ককে পরিণতি দেওয়ার আশায় চীন থেকে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন হুয়াং ঝিলিন।

হুয়াং ঝিলিন চীনের জিয়াংশি প্রদেশের বাসিন্দা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইচ্যাটের মাধ্যমে তাঁর পরিচয় হয় রূপগঞ্জের কাঞ্চন পৌরসভার খাপাড়া এলাকার শরিফ মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া বেগমের সঙ্গে। বর্তমানে সুমাইয়ার পরিবার একই এলাকার সেলিম মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

পরিচয়ের পর থেকে উইচ্যাটে নিয়মিত যোগাযোগ হতে থাকে দুজনের। একপর্যায়ে সেই যোগাযোগ গড়ায় প্রেমের সম্পর্কে। সম্পর্ককে বাস্তবে রূপ দেওয়ার আশায় চীন থেকে বাংলাদেশে চলে আসেন ঝিলিন। বর্তমানে তিনি সুমাইয়ার পরিবারের সঙ্গে খাপাড়া এলাকায় অবস্থান করছেন।

তবে দুজনের ভাষা আলাদা হওয়ায় শুরু থেকেই যোগাযোগে কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়। হুয়াং ঝিলিন বাংলা ও ইংরেজি—কোনো ভাষাতেই কথা বলতে পারেন না। অন্যদিকে সুমাইয়াও চীনা ভাষা জানেন না। ফলে দুজনের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে ট্রান্সলেটর অ্যাপ। একজন যা বলছেন, সেটি প্রযুক্তির সাহায্যে অন্যজনের ভাষায় অনুবাদ করে পরস্পরের সঙ্গে কথা বলছেন তারা।

ভাষাগত এই জটিলতাও তাদের সম্পর্কের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। প্রযুক্তির সহায়তায় নিয়মিত যোগাযোগের মধ্য দিয়েই সম্পর্ক আরও গভীর হয়। শেষ পর্যন্ত সেই ভালোবাসার টানেই সুদূর চীন থেকে রূপগঞ্জে এসে সুমাইয়ার পরিবারের সঙ্গে অবস্থান করছেন ঝিলিন।

সুমাইয়ার বাবা শরিফ মিয়া বলেন, ভাষাগত সমস্যা থাকলেও দুজন অনুবাদ অ্যাপ ব্যবহার করে একে অপরের সঙ্গে কথা বলেন। তারা যদি নিজেদের ইচ্ছায় বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তাঁর কোনো আপত্তি নেই।

চীনা যুবক হুয়াং ঝিলিনের রূপগঞ্জে আসার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। মাত্র এক মাসের পরিচয় থেকে শুরু হওয়া এই সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত বিয়ের সম্পর্কে গড়ায় কি না, এখন সেদিকেই নজর দুই পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ